বেঙ্গালুরুর রাস্তায় ফের একবার গতির বলি ৫। শুক্রবার সকালের শোক কাটতে না কাটতেই শনিবার মাঝরাতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল কর্ণাটকের রাজধানী। দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে এবং তারপর উল্টো দিক থেকে আসা একটি বাসের সামনে আছড়ে পড়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ৫ বন্ধুর। এই ঘটনায় ৪৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দু-দুটি বড় দুর্ঘটনায় থমথমে গোটা শহর।
পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত ১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে বেঙ্গালুরুর হোসুর মেইন রোডে। পাঁচ বন্ধু মিলে একটি দ্রুতগতির সেডান গাড়িতে করে যাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়ির গতিবেগ এতটাই বেশি ছিল যে ডিভাইডারে ধাক্কা খাওয়ার পর গাড়িটি শূন্যে উড়ে গিয়ে বিপক্ষ লেনের একটি চলন্ত বাসের সামনে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে লোহার স্তূপে পরিণত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনী এসে ক্রেনের সাহায্যে গাড়িটি কেটে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে।
মৃতদের পরিচয় এখনও সম্পূর্ণভাবে জনসমক্ষে আনা না হলেও, তাঁরা প্রত্যেকেই স্থানীয় একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওভারস্পিডিং বা চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে এই মর্মান্তিক পরিণতি। উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালেও একই শহরে অন্য এক দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল। মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে ৮ জনের মৃত্যুতে ট্রাফিক নিরাপত্তা নিয়ে ফের বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। বেঙ্গালুরু পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং গতির ওপর নিয়ন্ত্রণ আনতে নতুন নির্দেশিকা জারির কথা ভাবছে।