দ্বিতীয় তথা শেষ দফার মহারণের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বাংলাজুড়ে পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল ঘটাল নির্বাচন কমিশন। গত কয়েকদিনের বিক্ষিপ্ত হিংসা, বোমাবাজি এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনার পর ভোট প্রক্রিয়াকে নিশ্ছিদ্র করতে একঝাঁক আইপিএস (IPS) ও ডব্লিউবিপিএস (WBPS) আধিকারিককে নতুন দায়িত্ব দিয়ে রণক্ষেত্রে নামানো হয়েছে। সোমবারই রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হয়।
কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ব্যারাকপুর থেকে চন্দননগর এবং বারাসত থেকে বসিরহাট—সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে অভিজ্ঞ আধিকারিকদের বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে সিদ্ধার্থ দর্জি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার), রবিরাজ অবস্থি, গায়কওয়াড় নীলেশ শ্রীকান্ত এবং সৌম্যজিৎ রায়কে মোতায়েন করা হয়েছে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাবেন প্রবীণ প্রকাশ। চন্দননগরে এম.জে. মার্সি এবং খাণ্ডবাহালে উমেশ গণপতকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে বলা হয়েছে। এছাড়াও বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং বনগাঁর মতো স্পর্শকাতর জেলাগুলোতেও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিককালে জগদ্দলে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ, ভাঙড়ে বোমা উদ্ধার এবং সোনারপুরে নির্দল প্রার্থীর ওপর হামলার মতো ঘটনা কমিশনকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই শেষ দফায় যাতে কোনোপ্রকার অশান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করতে আধিকারিকদের আজকের মধ্যেই নতুন দায়িত্বে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি মেনে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার কড়া বার্তাও দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই আধিকারিকরা তাঁদের নির্ধারিত এলাকাতেই মোতায়েন থাকবেন।





