ফুটবল বিশ্বের তাবড় পরাশক্তি ফ্রান্স ফের একবার বিশ্বজয়ের লক্ষ্য নিয়ে ময়দানে নামছে। তবে তাদের এই যাত্রাপথ মোটেও মসৃণ হবে না। আসন্ন আসরের ‘গ্রুপ-আই’ (Group-I) ড্র প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কাগজে-কলমে ফেভারিট হিসেবে দিদিয়ের দেশঁ-এর ফ্রান্স থাকলেও, লড়াইটা যে কঠিন হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
এমবাপে বনাম হ্যালান্ড: ব্যক্তিগত লড়াই নাকি ফুটবলীয় মহাকাব্য? ফুটবল প্রেমীদের চোখ এখন একটাই দিকে—ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে এবং নরওয়ের আর্লিং হ্যালান্ড। গ্রুপ-আই’য়ের লড়াইয়ে এই দুই সুপারস্টারের দ্বৈরথ নিশ্চিতভাবেই টুর্নামেন্টের অন্যতম ইউএসপি (USP)। গোলমেশিনে পরিণত হওয়া হ্যালান্ড এবং গতিদানব এমবাপের ডুয়েল দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে ফুটবল বিশ্ব। একদিকে ফ্রান্সের ট্যাকটিক্যাল ফুটবল, অন্যদিকে নরওয়ের অদম্য আক্রমণাত্মক মানসিকতা—সব মিলিয়ে এই লড়াই হতে চলেছে হাড্ডাহাড্ডি।
হালকাভাবে নেওয়ার উপায় নেই সেনাগালকে: গ্রুপে শুধু ফ্রান্স বা নরওয়ে নয়, রয়েছে অ্যাফকন (AFCON) রানার্সআপ সেনাগাল। বিশ্ব ফুটবলে তাদের শারীরিক শক্তি এবং গতি যেকোনো বড় দলকে বিপদে ফেলার ক্ষমতা রাখে। আফ্রিকার এই জায়ান্টদের ধর্তব্যের বাইরে রাখার ভুল করবে না কোনো দলই। সেনাগালের এই উত্থান গ্রুপ-আই’কে করে তুলেছে এক সত্যিকারের ‘গ্রুপ অফ ডেথ’।
ফ্রান্সের চ্যালেঞ্জ: বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ফ্রান্সকে প্রতিটি ম্যাচে নিখুঁত হতে হবে। দেশঁর রক্ষণশীল ঘরানার ফুটবল কি নরওয়ের হাই-প্রেস ফুটবল কিংবা সেনাগালের অপ্রতিদ্বন্দ্বী গতির সামনে টিকতে পারবে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ক্রীড়া মহলে।





