বিমানে যাতায়াত হবে আরও ব্যয়বহুল! টিকিটের দাম বাড়তে চলেছে ২৫ শতাংশ?

জেট ফুয়েলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইন সংকটের কারণে আসন্ন দিনগুলোতে আকাশপথের ভ্রমণ খরচ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যেতে পারে। বিখ্যাত পরামর্শদাতা সংস্থা ‘ম্যাকিনসে’-র সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জেট ফুয়েল ক্র্যাক স্প্রেড ব্যারেল প্রতি ৫০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই বিপুল মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলোর পরিচালন ব্যয়ের ওপর প্রভাব ফেলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে বিমান টিকিটের দামের ওপর। এয়ারলাইন্সগুলো তাদের ক্রমবর্ধমান খরচ সামাল দিতে টিকিটের ওপর ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত সারচার্জ বা মূল্যবৃদ্ধি করতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে এই সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত হচ্ছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে বিমান সংস্থাগুলো সংকটের মুখে পড়ছে।
বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলোর মোট খরচের একটি বড় অংশই ব্যয় হয় জ্বালানি খাতে। তাই জ্বালানির দাম বাড়লে তার দায়ভার শেষ পর্যন্ত যাত্রীদের ওপরই বর্তায়। যারা আগামী বছরের জন্য ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য এই খবরটি বেশ চিন্তার। আকাশপথে ভ্রমণের খরচ এই পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে পর্যটন শিল্পের পাশাপাশি ব্যবসায়িক যাতায়াতের ওপরও দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমান ভাড়া ঊর্ধ্বমুখী থাকার সম্ভাবনাই প্রবল।