২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বাংলার রাজনৈতিক পারদ এখন সপ্তমে। প্রচারের ময়দান থেকে বিজেপিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিকে সরাসরি ‘দু-মুখো সাপের’ সঙ্গে তুলনা করে ভোটারদের উদ্দেশ্যে তাঁর সাফ হুঁশিয়ারি— “যদি সাপের ছোবল খেতে না চান, তবে তৃণমূলকেই ভোট দিন।”
মমতার ঝাঁঝালো আক্রমণ: এ দিন এক জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। তিনি বলেন, “বিজেপি হলো এমন এক রাজনৈতিক শক্তি যারা মুখে এক বলে আর কাজে অন্য কিছু করে। এরা দু-মুখো সাপের মতো। একবার যদি এদের সুযোগ দেন, তবে বাংলার উন্নয়নকে বিষাক্ত করে দেবে। ছোবল খেতে না চাইলে জোড়াফুলেই আস্থা রাখুন।”
নিশানায় মোদী-শাহ জুটি: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সঙ্কল্প পত্র’ প্রকাশের পাল্টা হিসেবে মমতা বলেন, “বাইরে থেকে লোক এসে বড় বড় ভাঁওতা দিচ্ছে। নির্বাচনের আগে টাকার লোভ দেখাচ্ছে, আর ভোট মিটলেই সব উধাও। বাংলার মানুষকে আমি চিনি, তাঁরা এই বিষধর শক্তির হাত থেকে রাজ্যকে রক্ষা করতে জানেন।”
প্রতিবেদনের মূল পয়েন্টগুলি:
উন্নয়ন বনাম বিভাজন: মমতা দাবি করেন, তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে শুরু করে কন্যাশ্রীর মাধ্যমে মানুষের সেবা করছে, যেখানে বিজেপি কেবল বিভাজনের রাজনীতি করছে।
আক্রমণাত্মক মেজাজ: ‘ছোবল’ ও ‘সাপ’-এর মতো কড়া শব্দ ব্যবহার করে তিনি নিজের কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছেন।
ভোটারদের কাছে আর্জি: রাজ্যের শান্তি বজায় রাখতে এবং সরকারি প্রকল্পগুলো চালু রাখতে তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার বিকল্প নেই বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
উপসংহার: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘সাপ’ মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই পাল্টা তোপ দেগেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, পায়ের তলায় মাটি নেই জেনেই মুখ্যমন্ত্রী এখন কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ করছেন। তবে ভোটের আগে দুই প্রধান শিবিরের এই ‘শব্দযুদ্ধ’ যে আরও তুঙ্গে উঠবে, তা স্পষ্ট।





