বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর তার মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো বাসন্তী পূজা। শরৎকালের শারদীয়া দুর্গাপূজা অকালবোধন হলেও, শাস্ত্র মতে বসন্তকালের এই পূজাই হলো আদি দুর্গাপূজা। ২০২৬ সালে চৈত্র নবরাত্রি ও বাসন্তী পূজাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে। পঞ্জিকা মতে, ২০২৬ সালের চৈত্র নবরাত্রি শুরু হচ্ছে ১৯শে মার্চ, বৃহস্পতিবার এবং রামনবমীর মাধ্যমে এই উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।
বাসন্তী পূজা ২০২৬-এর মূল নির্ঘণ্ট:
-
মহাসপ্তমী: ২২শে মার্চ, রবিবার।
-
মহাষ্টমী ও মহানবমী: ২৩শে মার্চ, সোমবার।
-
বিজয়া দশমী: ২৪শে মার্চ, মঙ্গলবার।
২০২৬ সালের বাসন্তী পূজায় সন্ধিপূজার সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত ও গুপ্তপ্রেস পঞ্জিকা মতে, ২৩শে মার্চ সোমবার দুপুর ও বিকেলের সংযোগস্থলে সন্ধিপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শাস্ত্র মতে, এই সন্ধিক্ষণেই দেবী চণ্ডিকা চণ্ড ও মুণ্ড নামক দুই অসুরকে বিনাশ করেছিলেন। সন্ধিপূজায় ১০৮টি পদ্ম ও ১০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে দেবীর আরাধনা করা হয়। এছাড়া এই নবরাত্রির ৯ দিনে দেবীর নয়টি রূপ বা ‘নবদুর্গা’র পূজা করা হয়। যারা বাড়িতে বা মন্দিরে ঘট স্থাপন করবেন, তারা ১৯শে মার্চ সকালের শুভ লগ্নেই কলশ স্থাপন সম্পন্ন করতে পারেন। ভক্তি ও শুদ্ধাচারে দেবীর আরাধনা করলে পরিবারে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় বলেই বিশ্বাস ভক্তদের।