আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইর মৃত্যুর ঠিক ন’দিন পর ইরানের ক্ষমতার রাশ হাতে নিলেন তাঁর ছেলে ৫৬ বছর বয়সি মোজতবা খামেনেই। রবিবার ইরানের ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ পরিষদ (Assembly of Experts) সর্বসম্মতিক্রমে মোজতবাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করেছে। ওয়াশিংটন এবং তেল আভিভের কড়া হুঁশিয়ারি ও সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি সত্ত্বেও তেহরান তাদের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে অনড় রইল।
মোজতবা খামেনেইকে অত্যন্ত রক্ষণশীল এবং রেভোলিউশনারি গার্ডের ঘনিষ্ঠ হিসেবে মনে করা হয়। তাঁর এই নিযুক্তিকে ভালো চোখে দেখছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় হুমকি দিয়ে বলেছেন, “আমাদের অনুমোদন ছাড়া এই নেতা বেশিদিন টিকতে পারবেন না।” পালটা জবাব দিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও। তিনি সাফ জানিয়েছেন, এটি ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ট্রাম্পের উচিত যুদ্ধের জন্য ক্ষমা চাওয়া।
এদিকে, ক্ষমতার এই রদবদলের মধ্যেই রবিবার রাতে তেহরানের পাঁচটি প্রধান তেল ভাণ্ডারে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে, প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে চারজন। বিষাক্ত ধোঁয়ার আশঙ্কায় নাগরিকদের ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১২০০ নাগরিক নিহত এবং ১০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান জানিয়েছে, তারা এবার তাদের অত্যাধুনিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে চলেছে।