আসন্ন ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। মুদ্রাস্ফীতির বাজারে মধ্যবিত্তের সবথেকে বড় স্বপ্ন হলো একটি মাথা গোঁজার ঠাঁই। আকাশছোঁয়া সম্পত্তির দাম আর গৃহঋণের চড়া সুদের মধ্যে সাধারণ মানুষ এখন অর্থমন্ত্রীর দিকে চাতক পাখির মতো তাকিয়ে রয়েছে। ২০২৬-এর বাজেটে আবাসন খাতে কী কী বড় চমক থাকতে পারে, দেখে নিন একনজরে:
গৃহঋণে বিপুল কর ছাড়ের আশা: বর্তমানে আয়কর আইনের ২৪(বি) ধারা অনুযায়ী, গৃহঋণের সুদের ওপর বছরে সর্বোচ্চ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কর ছাড় পাওয়া যায়। গত কয়েক বছরে এই সীমার কোনও পরিবর্তন হয়নি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এবার এই সীমা বাড়িয়ে ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকা করা হতে পারে। এমনটা হলে মধ্যবিত্তের পকেটে সরাসরি বড় অঙ্কের সঞ্চয় হবে।
সাশ্রয়ী আবাসের (Affordable Housing) নতুন সংজ্ঞা: বর্তমানে ৪৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দামের বাড়িকে ‘সাশ্রয়ী’ বলা হয়। কিন্তু মুম্বই, দিল্লি বা কলকাতার মতো মেট্রো শহরগুলোতে এই দামে ফ্ল্যাট মেলা কার্যত অসম্ভব। তাই দাবি উঠেছে, এই সীমা বাড়িয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা বা তার বেশি করা হোক। এর ফলে মধ্যবিত্তরা কম সুদে ঋণ এবং সরকারি ভর্তুকির সুবিধা আরও বেশি করে পাবেন।
নির্মাণাধীন সম্পত্তিতে জিএসটি (GST) সংস্কার: নির্মাণাধীন বাড়ি বা ফ্ল্যাটের ওপর জিএসটি-র বোঝা ক্রেতাদের জন্য বড় চিন্তার কারণ। এবারের বাজেটে সরকার ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট (ITC) পুনরায় চালু করতে পারে। এর ফলে নির্মাতাদের খরচ কমবে এবং সরাসরি লাভবান হবেন বাড়ির ক্রেতারা।