বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধিতে ভারত এখন বিশ্বের দরবারে রোল মডেল। ২০০৬ সালে যেখানে সারা দেশে বাঘের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ১,৪১১টিতে, ১৬ বছরের কঠোর পরিশ্রম ও ‘প্রজেক্ট টাইগার’-এর সাফল্যে সেই সংখ্যা এখন ৩,৬০০ ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ, গত দেড় দশকে বাঘের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। বাঘের এই বাড়বাড়ন্তকে পরিবেশবিদরা বলছেন ‘বাঘে লাফ’।
শুধু ভারতেই নয়, বাংলার সুন্দরবনেও বাঘের সংখ্যায় এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। ২০১০ সালে যেখানে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ছিল ৭০-এর আশেপাশে, ২০২৫-২৬-এর গণনায় তা ১০০ পেরিয়ে গেছে। বাঘের বিচরণভূমি বৃদ্ধি এবং চোরাশিকারীদের দমনে কড়া পদক্ষেপই এই সাফল্যের চাবিকাঠি। মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক এবং উত্তরাখণ্ডের পাশাপাশি বাংলাও এখন বাঘ সংরক্ষণে প্রথম সারিতে। বাঘের এই বংশবৃদ্ধি বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে এক বড় ইতিবাচক ইঙ্গিত।