নির্বাচন ঘোষণা হতেই বাংলায় ঝোড়ো ইনিংস শুরু করল নির্বাচন কমিশন। মাঝরাতে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব পরিবর্তনের পর এবার সরাসরি পুলিশ প্রশাসনের ওপর কোপ বসাল কমিশন। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে যেসব এলাকায় অশান্তি হয়েছে, সেখানকার থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার (SHO) এবং তাঁদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নামের তালিকা আজ, ১৬ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনী হিংসার বিরুদ্ধে কমিশনের এটি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। ২০২১-এর বিধানসভা এবং ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বাংলার রণক্ষেত্র চেহারা, প্রাণহানি এবং ঘরছাড়াদের আর্তনাদ পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। অভিযোগ উঠেছে পুলিশের একাংশের পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে। এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ সরাসরি সেইসব অফিসারদের চিহ্নিত করতে চাইছে, যাঁদের আমলে হিংসা লাগামছাড়া হয়েছিল।
সূত্রের খবর, শুধু বদলি নয়, দোষী প্রমাণিত হলে ভারতীয় সংবিধানের ৩১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অফিসারদের চাকরি থেকে বরখাস্ত পর্যন্ত করা হতে পারে। অতীতের হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও কঠোর আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে কমিশন বুঝিয়ে দিল— এবারের ভোটে এক ফোঁটা রক্তপাতও বরদাস্ত করা হবে না।