হাসিনা জমানা এবং অন্তর্বর্তী মহম্মদ ইউনুস সরকারের পর বাংলাদেশে এখন নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায়। কিন্তু রাজনৈতিক পালাবদল হলেও সাধারণ মানুষের পকেটে স্বস্তি ফেরেনি। বরং ঢাকার বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম যে হারে বাড়ছে, তাতে দু’বেলা পেট ভরে ভাত খাওয়াই এখন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গিন যে, অনেক ক্ষেত্রে নিত্যপণ্যের দাম প্রতিবেশী পাকিস্তানকেও টেক্কা দিচ্ছে।
আমিষ বাজারে আগুন লেগেছে। সোনালি মুরগির দাম কেজি প্রতি ৩৮০-৪২০ টাকায় পৌঁছেছে। রুই মাছের কেজি ৪৫০ টাকা ছুঁইছুঁই। সবজি বাজারেও তথৈবচ দশা; পটল, ঢ্যাঁড়শ বা পেঁপের মতো সাধারণ সবজির দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। ঝিঙে বা করলার মতো সবজি ১২০ টাকার নিচে মিলছে না। বাজারে সবজির জোগান কম থাকায় সাধারণ মানুষের থালা থেকে উধাও হচ্ছে পুষ্টিকর খাবার।
সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ভোজ্য তেলের বাজারে। ঢাকার দোকানগুলিতে ১ বা ২ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল কার্যত উধাও। ৫ লিটারের গুটিকয়েক বোতল মিললেও তা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০-৩০ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল ২১০ টাকা লিটার দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। একদিকে কাজের অভাব ও অনিশ্চিত আয়, অন্যদিকে আকাশছোঁয়া বাজারদর— সব মিলিয়ে ওপার বাংলায় এখন চরম হাহাকার।





