বন্দে মাতরম বিতর্ক তুঙ্গে: কংগ্রেসের এই ঘোষণায় চড়ল রাজনীতির পারদ!

জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ ছ’টি স্তবক গাওয়া বাধ্যতামূলক করে আইন প্রণয়ন করেছে কেন্দ্র। তবে দলের যে কোনও অনুষ্ঠানে এই গানের কেবল প্রথম দুটি স্তবকই গাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। ১৯৩৭ সালের জাতীয় অধিবেশনের নীতি মেনেই বর্তমান নেতৃত্ব এই পথে হাঁটছে বলে জানিয়ে গত কাল দলের কার্যকরী কমিটির (সিডব্লিউসি) বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

কংগ্রেসের এই পদক্ষেপকে ‘বিদেশি মানসিকতা’ ও দেশবিরোধী বলে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)। ভিএইচপির সর্বভারতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসল সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেছেন, গানের বাকি অংশগুলিতে ধর্ম, মর্ম, শক্তি, ভক্তি এবং দুর্গার মতো শব্দ রয়েছে, যা ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও কংগ্রেসকে আক্রমণ করে জানান যে, সংখ্যালঘু তোষণ ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্যই দলটির এই অবস্থান, যা সংসদে প্রণয়ন করা আইনের প্রকাশ্য অবমাননা।

গত ১৫ অগস্ট নয়াদিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে দলের সংসদীয় কমিটির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধি সম্পূর্ণ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও কংগ্রেস সেই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের দ্বিমুখী নীতি এবং ইতিহাস টেনে আক্রমণ শানিয়েছে গেরুয়া শিবির, যা আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও বড় বিতর্কের রূপ নিতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।