ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে আরও একটি সোনালী অধ্যায় যোগ হতে চলেছে। ওড়িশা উপকূলের আব্দুল কালাম দ্বীপ (ITR) থেকে ডিআরডিও-র (DRDO) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভারত সরকার ইতিমধ্যেই বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় ১,৫৫০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করে একটি ‘নোটিস টু এয়ারমেন’ (NOTAM) জারি করেছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০২৬ সালের ১২ থেকে ১৪ এপ্রিলের মধ্যে ভারত তার বহুল প্রতীক্ষিত ‘হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকল’ (HGV) পরীক্ষা করতে পারে। এই ধরনের মারণাস্ত্র শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ দ্রুত গতিতে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং রাডারকে ফাঁকি দিতে পারদর্শী। নোটামে উল্লিখিত বিশাল এলাকার পরিধি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, এটি অগ্নি সিরিজের কোনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অথবা নতুন প্রজন্মের কোনো সুপার-অ্যাডভান্সড সিস্টেম হতে পারে।
নিরাপত্তার স্বার্থে এই নির্দিষ্ট সময়সীমায় বেসামরিক ও বাণিজ্যিক বিমান চলাচল ওই এলাকায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলিতে ভারত যেভাবে একের পর এক সফল ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে, তাতে এই আসন্ন হাইপারসনিক পরীক্ষাটি দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং আত্মনির্ভরশীলতাকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।





