সোমবার রাতের সেই বিভীষিকা এখনও কাটেনি। ঘণ্টায় ৭২ কিলোমিটার বেগে আসা কালবৈশাখীর দাপটে একপ্রকার লন্ডভন্ড তিলোত্তমা। দক্ষিণ কলকাতার টালিগঞ্জ, বেহালা থেকে আলিপুর— সর্বত্রই ধ্বংসলীলার ছবি। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, অন্তত ৪০টি জায়গা থেকে গাছ উপড়ে পড়ার খবর মিলেছে। ঝড়ের তীব্রতায় ভেঙেছে বহু বাড়ির জানলার কাচ। তবে এই ধ্বংসলীলার মাঝেই পারদ পতনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে শহরবাসী। স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ ডিগ্রি কমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১৮.৪ ডিগ্রিতে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সোমবারের সেই প্রলয় ছিল ঝাড়খণ্ড ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তের বজ্রগর্ভ মেঘের ফল। ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও মেদিনীপুরেও শিলাবৃষ্টির দাপট দেখা গেছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, এটি ছিল একটি শক্তিশালী ‘স্কোয়াল’। তবে এখনই স্বস্তি নেই। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে ফের দক্ষিণবঙ্গে ফিরে আসতে পারে কালবৈশাখীর জোরালো প্রকোপ। শুক্রবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকলেও মাঝপথেই দাপট দেখাবে বৈশাখী মেঘ। বিশেষ করে উপকূলীয় জেলাগুলিতে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও।