প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে কুণালের ‘গোপন’ বৈঠক! রাজভবন বিতর্কের মাঝে কোন নতুন সমীকরণ?

বঙ্গ রাজনীতিতে রবিবার সন্ধ্যায় এক নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল সি.ভি. আনন্দ বোসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। আর এই সাক্ষাতের পরই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন কুণাল। তিনি দাবি করেছেন, কেন্দ্রের ডাকা ‘লোকভবন’ অনুষ্ঠানে প্রাক্তন রাজ্যপালের অনুপস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে গভীর ‘অভিমান’।

সাক্ষাৎ শেষে কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমকে জানান, আনন্দ বোস পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বা রাজনৈতিক পরিস্থিতির রদবদলে তিনি কি কিছুটা অবহেলিত বোধ করছেন? কুণালের কথায়, “উনি একজন বিদগ্ধ মানুষ। ওঁর সঙ্গে রাজনীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে অনেক কথা হয়েছে। আমার মনে হয়েছে, প্রশাসনিক কিছু সিদ্ধান্তে উনি মর্মাহত। সেই অভিমান থেকেই হয়তো উনি লোকভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যাওয়া থেকে বিরত থেকেছেন।”

সম্প্রতি রাষ্ট্রপতির সফর এবং রাজভবনের প্রোটোকল নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার মাঝেই কুণাল-বোস সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, প্রাক্তন রাজ্যপালকে কি তবে তৃণমূলের কাছাকাছি আনার চেষ্টা চলছে? যদিও কুণাল একে কেবলই ‘ব্যক্তিগত ও সৌজন্য সাক্ষাৎ’ বলে দাবি করেছেন। তবে ‘অভিমান’ শব্দটি ব্যবহার করে তিনি যে দিল্লির বিজেপির নেতাদের দিকেই তির ছুঁড়েছেন, তা স্পষ্ট। এখন প্রশ্ন উঠছে, আনন্দ বোসের এই নীরবতা কি আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে কোনো বড় ঝড়ের ইঙ্গিত? ৫৫০ শব্দের এই প্রতিবেদনে স্পষ্ট যে, প্রাক্তন রাজ্যপাল এবং রাজ্যের বর্তমান শাসকদলের এই ঘনিষ্ঠতা মোদি-শাহ শিবিরে অস্বস্তি বাড়াতে পারে।