‘প্রতিবাদের নামে দাঙ্গায় উস্কানি দিচ্ছেন মমতা!’ বিস্ফোরক অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

বারুইপুরের ১১ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল বাংলা। এই ঘটনার প্রতিবাদে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এবং গণপিটুনির মতো ঘটনার পর রাজনৈতিক পারদ চড়েছে চরমে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক ভিডিও বার্তায় এই হিংসাত্মক ঘটনাকে ‘স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ’ বলে দাবি করার পর, কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ করলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কী বলেছেন শুভেন্দু? সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “নিজে হেরেছেন, দল চূড়ান্তভাবে হেরেছে। আসল-নকলের লড়াইয়ে জর্জরিত দল। তবু সীমাহীন তোষণ, মিথ্যাচার আর উস্কানির অভ্যাস যায়নি।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাদের ‘প্রতিবাদী’ বলে মমতা আড়াল করার চেষ্টা করছেন, তারা আসলে এক নিরপরাধ যুবককে ডেকে নিয়ে গিয়ে নাম-পরিচয় দেখে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশের ওপর হামলা এবং রেললাইন উপড়ে ফেলার মতো ঘটনাকে কোনোভাবেই ‘প্রতিবাদ’ বলা যায় না বলে তিনি দাবি করেন।

রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক: শুভেন্দুর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোরগোল পড়েছে। সমালোচকদের একাংশের মতে, তৃণমূল জমানার দীর্ঘ ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার উস্কানিমূলক মন্তব্য করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করেছেন। অতীতে মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক অশান্তি থেকে শুরু করে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় মুসলিম তোষণের অভিযোগে বারবার বিদ্ধ হয়েছেন প্রাক্তন এই মুখ্যমন্ত্রী।

কড়া বার্তা প্রশাসনের: বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, যারা প্রতিবাদের নামে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে, তাদের দিন শেষ। মমতার এই ধরণের উস্কানিমূলক রাজনীতির পরিণাম যে এবার আর হালকাভাবে নেওয়া হবে না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বর্তমান প্রশাসন।