রান্নার গ্যাসের সংকটের মাঝেই এবার পেট্রোল ও ডিজ়েল নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের জারি করা নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, খালি বোতল, ড্রাম বা অসুরক্ষিত পাত্রে কোনোভাবেই জ্বালানি বিক্রি করা যাবে না। মূলত হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার জেরে তেলের আকাল হতে পারে—এমন একটি গুজব ছড়ানোর ফলে গত কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাম্পগুলিতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই ভবিষ্যতের জন্য ড্রাম ভরে তেল মজুত করার চেষ্টা করছেন, যা অগ্নিসুরক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিপজ্জনক।
মন্ত্রক সতর্ক করে জানিয়েছে, কোনো খুচরো বিক্রেতা (Petrol Pump) যদি প্লাস্টিকের বোতল বা খোলা ড্রামে তেল সরবরাহ করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্য়েই তামিলনাড়ুতে এক পাম্পের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে যে, দেশে পেট্রোল ও ডিজ়েলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সাপ্লাই চেন স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বাড়ানো হয়েছে। সাধারণ মানুষকে ‘প্যানিক বায়িং’ বা অযথা আতঙ্কিত হয়ে তেল মজুত না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দাম কি বাড়বে? আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বার বার ওঠানামা করলেও, কেন্দ্র জানিয়েছে যে আপাতত পেট্রোল-ডিজ়েলের দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তেল সংস্থাগুলি লোকসান হলেও দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে। তবে কালোবাজারি রুখতে এবং সরবরাহ বজায় রাখতে শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে তেলের জোগান ২০ শতাংশ কমানোর (৮০% রেগুলেশন) সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, সাধারণ গ্রাহকদের জন্য জ্বালানির কোনো অভাব নেই, কেবল খোলা পাত্রে তেল কেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।