এক মর্মান্তিক এবং শিউরে ওঠা ঘটনার সাক্ষী থাকল এলাকা। যে পেটের যন্ত্রণাকে সাধারণ ‘জন্ডিস’ ভেবে ভুল করেছিলেন বাবা, চিকিৎসকের ক্লিনিকে গিয়ে তার যে নারকীয় সত্য সামনে এল, তাতে স্তম্ভিত গোটা গ্রাম। ধর্ষণের জেরে মাত্র ১২ বছর বয়সী এক নাবালিকা এখন ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই খবর জানাজানি হতেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযুক্ত যুবককে পাকড়াও করে চলে গণপিটুনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে নাবালিকা মেয়েটি পেটের যন্ত্রণায় কষ্ট পাচ্ছিল। শারীরিক অবস্থার অবনতি এবং চোখ-মুখ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়ায় পরিবারের লোকজন ভেবেছিলেন হয়তো জন্ডিস হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডাক্তার জানান, ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা এবং গর্ভস্থ সন্তানের বয়স প্রায় ৬ মাস। চিকিৎসকের এই কথা শুনে পরিবারের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। নাবালিকাকে জিজ্ঞাসা করতেই প্রতিবেশী এক যুবকের কুকীর্তির কথা সামনে আসে। অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছে ওই লম্পট।
ঘটনাটি জানাজানি হতেই গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযুক্ত যুবক পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে ফেলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ক্ষিপ্ত জনতা তাকে একটি গাছে বেঁধে গণপিটুনি দিতে শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নাবালিকাকে বর্তমানে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা দায়ের করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা থাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ বাহিনী।