পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া হাসপাতালে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সম্প্রতি। সেই ঘটনায় এবার জাতীয় মহিলা কমিশন পাঁশকুড়া যাচ্ছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার সেই অভিযুক্তকে তোলা হয়েছিল আদালতে। অভিযুক্তকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়া বনধের ডাক দিয়েছে এসইউসিআই। উল্লেখ্য, গত ১৫ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো এই ধর্ষণের অভিযোগ সামনে আসে। তমলুক থানার অন্তর্গত এক তরুণী বেসরকারি সংস্থার অধীনে ওয়ার্ড গার্ল হিসেবে কাজ করতেন সেই হাসপাতালে। তাঁর অভিযোগ, ওই কোম্পানির ফেসিলিটি ম্যানেজার হাসপাতালের ভিতরেই একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণ করে। এই ফেসিলিটি ম্যানেজারের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানোর পাশাপাশি একাধিক মহলা কর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছে। ধৃতের নাম শেখ জাইর আব্বাস খান। পুলিশ জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত শেখ জাইর আব্বাস খান একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ওই হাসপাতালে কাজ করছিল। ১৪ সেপ্টেম্বর সে এক মহিলা সহকর্মীকে নানা অজুহাতে নিজের কাছে ডেকে নেয়। অভিযোগ, কাজ থেকে বরখাস্ত করার ভয় দেখিয়ে হাসপাতালে ভেতরেই শারীরিক নির্যাতন চালায় সে। কাউকে কিছু জানালে আরও বড় ক্ষতি করে দেওয়ার হুমকি দেয় আব্বাস। দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখা হলেও সোমবার ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। সোমবার পাঁশকুড়া থানায় ওই তরুণী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, জেলা তৃণমূল সভাপতি, পৌরসভার চেয়ারপার্সন হাসপাতালে যান। এদিকে তিলোত্তমা মঞ্চের ৮ সদস্যের এক প্রতিনিধি দলও সেখানে যায়। এদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার বলেন, ‘নির্যাতিতা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। এখন সবাই জেনে গিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যা চলছে, তাতে আমাদের কাছে অভিযোগ জানিয়ে কেস না করলে কোনও বিচার হয় না। চলতি সপ্তাহেই আমরা পাঁশকুড়া যাচ্ছি। মহালয়ার আগেই যাচ্ছি।’

পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া হাসপাতালে এক মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় এবার তদন্তে নামছে জাতীয় মহিলা কমিশন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং তাকে ৮ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
জানা গেছে, ১৫ সেপ্টেম্বর প্রথম এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। তমলুক থানার বাসিন্দা ওই তরুণী পাঁশকুড়া হাসপাতালে একটি বেসরকারি সংস্থার অধীনে ওয়ার্ড গার্ল হিসেবে কাজ করতেন। তার অভিযোগ, ওই কোম্পানির ফ্যাসিলিটি ম্যানেজার শেখ জাইর আব্বাস খান তাকে বারবার ধর্ষণ করে। আব্বাসের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটানো এবং একাধিক মহিলা কর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
নির্যাতিতার অভিযোগ অনুসারে, ১৪ সেপ্টেম্বর আব্বাস তাকে কাজের অজুহাতে নিজের কাছে ডেকে নেয়। এরপর কাজ থেকে বরখাস্ত করার ভয় দেখিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই তাকে শারীরিক নির্যাতন করে। কাউকে কিছু জানালে বড় ধরনের ক্ষতি করার হুমকিও দেয় আব্বাস। দীর্ঘদিন এই ভয়ে তিনি চুপ থাকলেও, সোমবার পাঁশকুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং জেলা সভাপতি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অন্যদিকে, এসইউসিআই এই ঘটনার প্রতিবাদে ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়া বনধের ডাক দিয়েছে।
জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্য অর্চনা মজুমদার জানিয়েছেন, “নির্যাতিতা আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে যা চলছে, তাতে আমাদের কাছে অভিযোগ না জানালে কোনো বিচার হয় না। চলতি সপ্তাহেই আমরা পাঁশকুড়া যাচ্ছি। মহালয়ার আগেই যাব।”