বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা নিজেদের কৃতি সন্তানদের সাফল্যের মুকুটে এবার নতুন পালক যোগ করতে চলেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাক্তনীদের অবদানকে কেবল হৃদয়ে নয়, এবার প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সম্মান জানাতে এক বিশেষ পুরস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শিক্ষা মহলে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
যাদবপুর মানেই কেবল একটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি আবেগ। নাসার গবেষণা কেন্দ্র থেকে শুরু করে বিদেশের নামী কর্পোরেট অফিস—সবত্রই মেধার স্বাক্ষর রাখছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা। এবার সেই অর্জনের স্বীকৃতি দিতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই নয়া উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
কী থাকছে এই বিশেষ সম্মানে? বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, সমাজসেবা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং গবেষণার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেসব প্রাক্তনীরা অনন্য নজির গড়েছেন, তাঁদের মধ্য থেকে সেরাদের বেছে নেওয়া হবে। একটি উচ্চপর্যায়ের সার্চ কমিটি তৈরি করা হবে, যারা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কয়েক হাজার প্রাক্তনীর সাফল্য যাচাই করে এই পুরস্কারের জন্য নাম মনোনীত করবেন।
কেন এই উদ্যোগ? কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাক্তনীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মিক যোগসূত্র আরও গভীর করাই এই পুরস্কারের মূল লক্ষ্য। প্রাক্তনীরা যখন বড় মঞ্চে সম্মানিত হবেন, তখন বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তা বড় কিছু করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। মূলত সমাবর্তন উৎসব বা কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের দিনে এই সম্মাননা তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রাক্তন ছাত্র সংসদের সদস্যরাও। তাঁদের মতে, আলমা ম্যাটার যখন সন্তানদের স্বীকৃতি দেয়, তখন তার গুরুত্ব হয় অপরিসীম। এখন দেখার বিষয়, প্রথম বছরের এই সম্মাননা কাদের ঝুলিতে যায়।





