বিচারপতি যশবন্ত ভার্মার পদত্যাগ সত্ত্বেও তাঁর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে সরকার। সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র এখনও অনুমোদিত হয়নি এবং সরকার আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনে তাঁকে পদ থেকে অপসারণের জন্য অভিশংসন প্রস্তাব নিয়ে সংসদে বড়সড় বিতর্কের পথে হাঁটতে পারে। গত বছর বিচারপতি ভার্মার সরকারি বাংলোর স্টোররুম থেকে বিপুল পরিমাণ পোড়া টাকা উদ্ধারের ঘটনার পর থেকেই তাঁর অপসারণের দাবি জোরালো হয়।
ঘটনার তদন্তে লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছিলেন, যারা ইতিমধ্যেই তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। যদিও সেই রিপোর্ট জনসমক্ষে আসেনি, তবুও সরকারি সূত্রের দাবি, প্রতিবেদনে গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ মিলেছে। সরকার এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার কড়া বার্তা দিতে চায়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে ২০০-র বেশি সাংসদ তাঁর অপসারণের দাবিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।
১৯৬৮ সালের বিচারক (তদন্ত) আইনের বিধি মেনে এই প্রতিবেদন সংসদের উভয় কক্ষে পেশ করা হবে। যদিও বিচারপতি ভার্মা নিজে ইস্তফা দিয়ে বরখাস্তের প্রক্রিয়া স্থগিত করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু সরকারি মহল চাইছে বিষয়টি এর যৌক্তিক পরিণতি পর্যন্ত পৌঁছাক। ২০৩১ সালে অবসর গ্রহণের কথা থাকলেও, পোড়া নোট উদ্ধারের সেই বিতর্কিত কাণ্ডে বিচারপতির ভূমিকা এখন দেশের বিচার ব্যবস্থা ও রাজনীতির আঙিনায় বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসদীয় অধিবেশনের শুরুতেই শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক উত্তাপ ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।





