প্যাকেটবন্দি যে কোনো খাবার কেনার সময় আমরা তার উৎপাদন এবং মেয়াদের তারিখ দেখে নিই। কিন্তু খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া ডিমের ক্ষেত্রে তা বোঝার কোনো উপায় থাকে না। অনেক সময় পুরনো বা পচা ডিম নতুন বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। এই অরাজকতা বন্ধ করতেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য সুরক্ষা ও মানক কর্তৃপক্ষ (FSSAI)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশের নির্দিষ্ট কিছু রাজ্য ও শহরগুলোতে প্রতিটি ডিমের ওপর ‘লেজার প্রিন্টিং’-এর মাধ্যমে এক্সপায়ারি ডেট লেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে এই নিয়ম চালু হবে বড় খামার এবং সুপারমার্কেটগুলোতে। প্রতিটি ডিমের ওপর একটি বিশেষ কোড এবং তার সঙ্গে সেটি কতদিন পর্যন্ত খাওয়ার উপযোগী, তা স্পষ্ট করে লেখা থাকবে। এর ফলে গ্রাহকরা সরাসরি বুঝতে পারবেন তাঁরা ঠিক কী কিনছেন। চিকিৎসকদের মতে, মেয়াদ উত্তীর্ণ ডিম খেলে মারাত্মক ফুড পয়জনিং বা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে সেই স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, এই প্রযুক্তির কারণে ডিমের দাম সামান্য বাড়তে পারে। তবে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিকরা। প্রথম দফায় সাফল্য মিললে খুব শীঘ্রই গোটা দেশে এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হবে বলে খবর।