নেপালের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে সবথেকে প্রভাবশালী তরুণ মুখ হলেন বলেন্দ্র শাহ, যিনি ভক্তদের কাছে ‘বালেন’ নামেই বেশি পরিচিত। পেশায় একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং জনপ্রিয় র্যাপার হয়েও তিনি যেভাবে নির্দল প্রার্থী হিসেবে কাঠমান্ডু মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন, তা দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বিরল ঘটনা। অনেকে তাঁকে নেপালের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবেও দেখতে শুরু করেছেন।
বালেন শাহের আয়ের উৎস বহুমুখী। ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেন্সি ছাড়াও নেপালি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর দারুণ দাপট রয়েছে। তাঁর সম্পত্তির খতিয়ান অনুযায়ী, কাঠমান্ডুর প্রাণকেন্দ্রে তাঁর পৈতৃক বাড়ি এবং জমি রয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক কোটি নেপালি রুপি। তবে তিনি ব্যক্তিগত বিলাসিতার চেয়ে স্বচ্ছ প্রশাসন এবং নগর উন্নয়নের জন্য বেশি পরিচিত। মেয়র হওয়ার পর তিনি তাঁর সরকারি বেতনও জনকল্যাণে ব্যয় করার ঘোষণা করেছিলেন।
বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর গদিতে বলেন্দ্র শাহ না থাকলেও, তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ নেপাল সরকারকে চাপে রাখে। বিশেষ করে অবৈধ নির্মাণ উচ্ছেদ এবং শিক্ষা-স্বাস্থ্য সংস্কারে তাঁর ‘বুলডোজার নীতি’ তাঁকে সাধারণ মানুষের নয়নমণি করে তুলেছে। নেপালের দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বলেন্দ্র শাহ এখন এক নতুন আশার প্রতীক।