রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে আজ নজিরবিহীন উত্তেজনার সৃষ্টি হলো। ভোটার তালিকা থেকে বাংলার ২৭ লক্ষ বাসিন্দার নাম বাদ যাওয়া এবং নির্বাচনী আধিকারিকদের নিরপেক্ষতা নিয়ে নালিশ জানাতে আজ সকাল ১০টায় কমিশনের দপ্তরে পৌঁছান তৃণমূলের চার সাংসদের প্রতিনিধি দল। এই দলে ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, সাগরিকা ঘোষ এবং সদ্য শপথ নেওয়া সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী।
বৈঠক শেষে বেরিয়ে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের সঙ্গে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ আচরণ করেছেন। ডেরেক বলেন, “বৈঠক শুরু হওয়ার মাত্র ৭ মিনিটের মধ্যে আমাদের বেরিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সাংসদদের বলা হয়েছে— বেরিয়ে যাও! মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো ৯টি চিঠির একটিরও জবাব কেন দেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলতেই এই আচরণ।”
তৃণমূল প্রতিনিধি দলের দাবি, বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে নির্বাচনী আধিকারিকদের যোগসাজশের অন্তত ৬টি অকাট্য প্রমাণ তাঁরা পেশ করেছেন। ডেরেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “কমিশন এই বৈঠকের ভিডিও বা অন্তত অডিও প্রকাশ করে দেখাক। আমরা জানতে চেয়েছি, এভাবে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ চললে কীভাবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব?” উল্লেখ্য, গতকাল সময় না পেয়ে ধর্নার পরিকল্পনা থাকলেও আজ কমিশন সময় দেওয়ায় সেই কর্মসূচি স্থগিত রেখেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। কিন্তু আজকের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত যে আরও বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।





