নবান্নের কড়া পদক্ষেপ! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে রাজ্যের ৭১টি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মীদের তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ!

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কঠোরভাবে কার্যকর করতে এবার অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ নিল মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। রাজ্যের ১৪টি জেলার ৭১টি স্বীকৃত বেসরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত মাদ্রাসা নিয়ে এই বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালের সরকারি নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে যে সমস্ত শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের সম্পূর্ণ তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের জন্য কঠোর নির্দেশ
রাজ্যের তরফে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকদের (DI) আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেতনহীন কর্মীদের আলাদা তালিকা: বর্তমানে বেতন ছাড়াই কর্মরত রয়েছেন এমন কর্মীদের তথ্যও বিশেষভাবে আলাদা করে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।
অননুমোদিত কর্মীদের বাদ দেওয়ার কড়াকড়ি: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে, কোনও বেআইনি বা অননুমোদিত ব্যক্তি যেন কোনোভাবেই শিক্ষক বা অশিক্ষক কর্মী হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে না পারেন।
নবান্নে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কড়া সময়সীমা
রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, এই মাদ্রাসাগুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিদর্শনের পর সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি আধিকারিকদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নবান্নে সম্পূর্ণ রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের রায়কে সামনে রেখে রাজ্যের এই পদক্ষেপে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে বড়সড় প্রভাব পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।