নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়ে যে অন্তঃসত্ত্বা ছিল, সে কথা তাঁরা ঘুণাক্ষরেও টের পাননি। বর্তমানে ওই নাবালিকার শারীরিক অবস্থা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
অ্যাপেন্ডিসাইটিসের আড়ালে গর্ভাবস্থা? কিশোরীর পরিবার জানিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরেই মেয়েটি পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে জানানো হয়েছিল সে ‘অ্যাপেন্ডিসাইটিস’-এ ভুগছে। সেই অনুযায়ী চিকিৎসাও চলছিল। কিন্তু আচমকা ব্যথা চরম আকার নিলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই সে একটি সন্তানের জন্ম দেয়। পরিবারের দাবি, “আমরা বুঝতেই পারিনি ওর শরীরে এমন পরিবর্তন হচ্ছে। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ওষুধ খাইয়েই সময় নষ্ট হয়েছে।”
তদন্তে পুলিশ: একজন নাবালিকা কীভাবে গর্ভবতী হলো এবং এর নেপথ্যে কে রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পরিবারের বয়ান খতিয়ে দেখার পাশাপাশি ওই কিশোরীকে কেউ ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় পাড়া-প্রতিবেশী এবং স্কুলের বন্ধু মহলেও নেমে এসেছে স্তব্ধতা।