দোল পূর্ণিমা বা বসন্তোৎসব কেবল রঙের উৎসব নয়, এটি আধ্যাত্মিক এবং জ্যোতিষশাস্ত্রীয় দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালের দোল পূর্ণিমা এক বিশেষ যোগ নিয়ে উপস্থিত হচ্ছে। শাস্ত্র মতে, এই পবিত্র পূর্ণিমার রাতে কিছু বিশেষ কাজ করলে জীবনের দীর্ঘদিনের জটিল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
জ্যোতিষবিদদের মতে, এবারের দোল পূর্ণিমায় গ্রহের অবস্থান এমন এক শুভ সংযোগ তৈরি করছে, যা কয়েক দশকের মধ্যে বিরল। বিশেষ করে অর্থকষ্ট, পারিবারিক বিবাদ এবং কর্মক্ষেত্রের বাধা কাটাতে এই রাতটি মহৌষধ হিসেবে কাজ করতে পারে। পূর্ণিমার চাঁদ যখন পূর্ণরূপে আকাশে উদিত হবে, তখন রাধা-কৃষ্ণের চরণে আবির অর্পণ করে প্রার্থনা করলে ভক্তদের মনোকামনা পূর্ণ হয় বলে বিশ্বাস।
যাঁরা মানসিক দুশ্চিন্তা বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাবে ভুগছেন, তাঁদের জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যে পূর্ণিমার রাতে বাড়ির প্রধান প্রবেশদ্বারে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। এতে অলক্ষ্মী বিদায় নেয় এবং গৃহশান্তি ফিরে আসে। এছাড়া, হোলিকা দহনের ছাই স্নানের জলে মিশিয়ে ব্যবহার করলে শারীরিক ক্লেশ দূর হয়। এই বিশেষ তিথিতে দান-ধ্যান করার মহিমাও অপরিসীম। সুতরাং, এই দোল পূর্ণিমা আপনার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ ও সমৃদ্ধি।