দেশের চতুর্থ পূর্ণ শিক্ষিত রাজ্য হলো হিমাচল প্রদেশ, সাক্ষরতার হার ৯৯.৩ শতাংশ

শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন সাফল্য অর্জন করল হিমাচল প্রদেশ। মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু ঘোষণা করেছেন যে, এই রাজ্য এখন ভারতের চতুর্থ পূর্ণ শিক্ষিত রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ‘উল্লাস’ (ULLAS) কর্মসূচির অধীনে এই ঘোষণা করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী জানান, হিমাচলের সাক্ষরতার হার বর্তমানে ৯৯.৩ শতাংশ, যা জাতীয় গড় (৯৫ শতাংশ)-এর চেয়ে অনেকটাই বেশি। তিনি বলেন, “স্বাধীনতার সময় হিমাচলের সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র সাত শতাংশ। স্বাধীনতার ৭৮ বছর পর আমরা এই মহান সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি।”
হিমাচল প্রদেশের আগে আরও তিনটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে:
মিজোরাম: ২০ মে, ২০২৫ তারিখে মিজোরাম ভারতের প্রথম পূর্ণ শিক্ষিত রাজ্য হয়। তাদের সাক্ষরতার হার ৯৮.২ শতাংশ।
গোয়া: গোয়া দেশের দ্বিতীয় রাজ্য হিসেবে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন করেছে। আগে তাদের সাক্ষরতার হার ছিল ৯৪ শতাংশ, যা ‘উল্লাস’ কর্মসূচির পর ১০০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
ত্রিপুরা: মিজোরাম এবং গোয়ার পর তৃতীয় রাজ্য হিসেবে ত্রিপুরা পূর্ণ সাক্ষরতা অর্জন করেছে, যার হার ৯৫.৬ শতাংশ।
লাদাখ: কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোর মধ্যে লাদাখই প্রথম, যারা ৯৭ শতাংশ সাক্ষরতার হার নিয়ে এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান জানান, ভারতের জাতীয় সাক্ষরতার হার ২০১১ সালের ৭৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৩-২৪ সালে ৮০.৯ শতাংশে পৌঁছেছে।