দেবী চৌধুরানী’র সঙ্গে পুজোর মুখে প্রসেনজিৎ, ‘মেয়েরা বাঘিনীর মতো কাজ করেছে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন?

দেবীপক্ষের সূচনালগ্নেই বাঙালির সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় তার আসন্ন ছবি ‘দেবী চৌধুরানী-ব্যান্ডিট কুইন অফ বেঙ্গল’-এর প্রচারে ব্যস্ত। ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে চলেছে শুভ্রজিৎ মিত্র পরিচালিত এই ছবিটি, যেখানে প্রসেনজিৎকে দেখা যাবে ভবানী পাঠকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। মহালয়ার দুপুরে ইটিভি ভারতের সঙ্গে আড্ডায় তিনি বলেন, “দেবী পক্ষের সূচনা হয়ে গিয়েছে। চারদিকে পুজোর আমেজ। এর থেকেই যেন আরও বেশি বোঝা যাচ্ছে পুজো এসে গিয়েছে।”

‘দেবীপক্ষেই আসছে দেবী চৌধুরানী’, প্রসেনজিতের আবেগঘন বার্তা
পুজোয় ছবি মুক্তির কারণে এখন পুরোদমে প্রোমোশনের কাজে ব্যস্ত তিনি। শ্যামবাজার থেকে নৈহাটি, মালদা থেকে বাবুঘাট—বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আসন্ন ছবি নিয়ে তিনি বলেন, “আজকের দিনটা খুব শুভ। মহালয়া আজ। দেবীপক্ষেই আসছে দেবী চৌধুরানী। পুজোর সময়ে বহু বছর পরে একটা এরকম বাংলার সাহিত্য নিয়ে তৈরি ছবি আসছে।”

তিনি আরও বলেন, বিগত ৩০ বছর ধরে দর্শক তার ছবির জন্য অপেক্ষা করে থাকে। গত বছর বিশেষ কারণে তার কোনো ছবি মুক্তি পায়নি। তবে এবার ‘দেবী চৌধুরানী’ আসছে। ছবিতে অভিনয় করা অভিনেত্রীদের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মেয়েরা বাঘিনীর মতো কাজ করেছে। আমি হলফ করে বলতে পারি, বিগত ১৫ বছরে কোনো ভারতীয় ছবিতে মেয়েদের এভাবে লড়াই করতে দেখিনি।”

ভবানী পাঠক হতে কঠোর পরিশ্রম
এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য কলাকুশলীদের ঘোড়া চালানো থেকে শুরু করে তরবারি চালানো পর্যন্ত সবকিছু শিখতে হয়েছে। পর্দার ভবানী পাঠক বলেন, তার জন্য কাজটি কিছুটা সহজ ছিল কারণ তিনি অতীতে অনেক অ্যাকশন ছবিতে কাজ করেছেন। তবে মানসিক দিক থেকে এই চরিত্রটি কঠিন ছিল, কারণ তাকে ‘মনের মানুষ’, ‘অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি’ এবং ‘গুমনামি’-এর মতো চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসতে হয়েছে।

প্রসেনজিৎ বলেন, এই ছবিতে মেয়েদের অভিনয় দেখে দর্শকেরা হল-এ বসে সিটি বাজাবে। তিনি পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্রের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, “শুভ্রজিৎ ব্রিটিশ সময়কালটার ওপর দেবী চৌধুরানীকে খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন।”

অষ্টমী আর জন্মদিন একই দিনে!
চলতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর তার জন্মদিন, যা এ বছর অষ্টমীর দিন পড়েছে। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই সময় প্রতি বছর রিলিজ নিয়েই ব্যস্ত থাকি। এবারও থাকব। অষ্টমীর দিন আরেকটা বছর বাড়বে। সেই নিয়ে চিন্তায় আছি। তবে তিন-চার বছর পর আবার বয়স কমিয়ে দেব।