রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে দিল্লি সফরে গিয়ে বড় সাফল্য পেলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর ‘জল জীবন মিশন’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য রাজ্যকে ৩৯,০০০ কোটি টাকার আর্থিক সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। গ্রামীণ এলাকায় প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশাল অঙ্কের বরাদ্দ করা হয়েছে।
কী জানা যাচ্ছে এই চুক্তির বিষয়ে?
সম্প্রতি রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রকের মধ্যে একটি মউ (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা প্রশাসনিক জট কাটিয়ে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উভয় পক্ষই সহমত পোষণ করেছে। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাতিল ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হয়।
প্রকল্পের মূল লক্ষ্য:
সার্বজনীন জল সংযোগ: রাজ্যের প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারে সুরক্ষিত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া।
পরিকাঠামো উন্নয়ন: দীর্ঘমেয়াদী পানীয় জল ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক জল পরিকাঠামো গড়ে তোলা।
পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ: গ্রাম পঞ্চায়েত ও স্থানীয় স্তরে জল জীবন মিশন পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দেওয়া।
রাজনৈতিক তাৎপর্য:
দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় বকেয়া ও বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে রাজ্য-কেন্দ্র সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছিল। এই পরিস্থিতিতে ৩৯,০০০ কোটি টাকার বরাদ্দ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে রাজ্যজুড়ে পানীয় জলের পরিকাঠামোয় আমূল পরিবর্তন আনা।
মুখ্যমন্ত্রী এই উন্নয়নকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হতে চলেছে। দ্রুত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে যাতে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়, সেদিকেই এখন নজর দিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।
আপনি কি এই প্রকল্পের বাস্তবায়নের সময়সীমা বা জল জীবন মিশনের নতুন নির্দেশিকাগুলি নিয়ে আরও কিছু জানতে আগ্রহী?





