দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে নুহে জোরদার তল্লাশি, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ২ ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ

লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন ডঃ উমর নবীর সঙ্গে যোগসূত্রের সন্ধানে হরিয়ানার নুহ জেলায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির জোরদার তল্লাশি অভিযান চলছে। এই ঘটনায় ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন ডাক্তারের ভূমিকা তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে।
৩ জন সন্দেহভাজনকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ
প্রাথমিক রিপোর্টে নুহ থেকে ৩ জন সন্দেহভাজন ডাক্তারকে আটক করা হয়েছিল। তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই জন ডাক্তার—যাঁরা মূল সন্দেহভাজন উমর নবীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন—তাঁদেরকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই দুজনের মধ্যে একজন নুহের পুনহানা শহরের বাসিন্দা। জানা গেছে, উমর নবী বিস্ফোরণের আগে নুহ-তে সময় কাটিয়েছিলেন। তদন্তকারীরা এখন পর্যন্ত নুহ এবং ফরিদাবাদ অঞ্চলের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত প্রায় ২০০ জনের উপর নজর রাখছেন।
সন্দেহভাজন ডাক্তারের বাবার প্রতিক্রিয়া
আটক হওয়া ডাক্তারদের মধ্যে একজন, ডঃ মুস্তাকিমের বাবা জানিয়েছেন যে তাঁর ছেলেকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে তাঁদের পরিবার বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হয়নি, তবে তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখনও তাঁদের উপর নজরদারি বজায় রেখেছে।
তদন্তে জানা গেছে, আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকেই প্রায় ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছিল। এই ‘হোয়াইট-কোট’ সন্ত্রাস নেটওয়ার্কের আরও গভীরে পৌঁছতে পুলিশ নুহ-তে উমরের লুকিয়ে থাকার জায়গার সিসিটিভি ফুটেজ এবং আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখছে।
লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের গেট খোলা হলো
এদিকে, বিস্ফোরণের ফলে নিরাপত্তা জনিত কারণে বন্ধ করে দেওয়া লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সব গেট রবিবার সকালে যাত্রীদের জন্য পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে।