দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে ঝড় তুললেন সহবাগের পুত্র, বাবার স্টাইলে শট দেখে তাজ্জব ক্রিকেট বিশ্ব

ক্রিকেটবিশ্বে ‘আপার কাট’ কিংবা ‘ব্যাকফিস্ট পাঞ্চ’ শটের কথা বললেই সবার আগে ভেসে ওঠে ভারতের প্রাক্তন বিস্ফোরক ওপেনার বীরেন্দ্র সহবাগের নাম। আর এবার সেই একই জাদুকরী ছাপ দেখা গেল তাঁর ছেলে আর্যবীর সহবাগের ব্যাটিংয়ে। একেবারে ‘বাপ কা বেটা’ প্রবাদটি সত্যি করে দিল্লির মাঠে নজর কাড়ছেন তিনি। বর্তমানে দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে ওয়েস্ট দিল্লি লায়ন্সের হয়ে খেলছেন আর্যবীর। টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচে ১৪ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলার সময় অবিকল বীরেন্দ্র সহবাগের স্টাইলে একটি চোখ ধাঁধানো ‘ব্যাকফিস্ট’ শট মারতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তেই সেই শটের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
দিল্লি প্রিমিয়ার লিগের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি স্পেশাল ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে স্ক্রিন ভাগ করে একদিকে দেখানো হয়েছে আর্যবীরের খেলা শট এবং অন্যটিতে বীরেন্দ্র সহবাগের পুরোনো সেই বিখ্যাত ব্যাকফিস্ট পাঞ্চ। দুটি শটের টেকনিক ও ভঙ্গি হুবহু এক। ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছে ক্রিকেটের প্রথম পাঠ নেওয়া আর্যবীর খুব কাছ থেকে বীরুকে দেখেই নিজের কায়দা রপ্ত করেছেন।
২০২৬ সালের দিল্লি প্রিমিয়ার লিগে এবার সম্পূর্ণ নতুন মেজাজে ধরা দিচ্ছেন আর্যবীর। এর আগে ২০২৫ মরশুমে তিনি সেন্ট্রাল দিল্লি কিংসের হয়ে খেললেও পরবর্তীতে দল বদল করেন। নিউ দিল্লি টাইগারের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই খেলতে নেমে নিজের সিগনেচার শটের মাধ্যমে সবাইকে তাক লাগিয়ে দেন তিনি। তাঁর এই পারফরম্যান্স ইতিমধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর কেড়েছে।
মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বীরেন্দ্র সহবাগের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও জল্পনার শেষ নেই। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর ও স্ত্রী আরতির বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। শোনা যাচ্ছে, তাঁরা নাকি আর এক ছাদের তলায় থাকেন না এবং আইনি বিচ্ছেদ কেবল সময়ের অপেক্ষা। যদিও এই বিষয়ে সহবাগ বা তাঁর স্ত্রী কেউই এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তাঁদের এই দীর্ঘ নীরবতা বিচ্ছেদের জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে। সম্প্রতি দীপাবলির সময় বীরুর শেয়ার করা একটি ছবি এই চর্চাকে নতুন মাত্রা দেয়। উৎসবের দিন দুটি ছবি পোস্ট করে শুভেচ্ছা জানালেও, তার একটিতে শুধু নিজের ছবি এবং অন্যটিতে মা ও দুই পুত্রের সঙ্গেই তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সবমিলিয়ে মাঠের ভেতরের ঝোড়ো ইনিংস আর মাঠের বাইরের ব্যক্তিগত চর্চা—সব মিলিয়ে খবরের শিরোনামে রয়েছে সহবাগ পরিবার।