মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী থাকল বিশ্ব। চাঁদের কক্ষপথে আবর্তনরত ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের মহাকাশচারীদের ওভাল অফিস থেকে সরাসরি ফোন করে অভিনন্দন জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর নাসার প্রথম চন্দ্র ফ্লাইবাই মিশনে থাকা তিন আমেরিকান ও এক কানাডিয়ান মহাকাশচারীকে ‘আধুনিক যুগের পথপ্রদর্শক’ বলে অভিহিত করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “তোমরা ইতিহাস সৃষ্টি করেছ। পুরো আমেরিকা তোমাদের জন্য অবিশ্বাস্যভাবে গর্বিত।”
১০ দিনের এই ঐতিহাসিক অভিযানে মহাকাশচারীদের সাহসিকতার প্রশংসা করে ট্রাম্প জানান, মহাকাশ দৌড়ে আমেরিকা কারও চেয়ে পিছিয়ে থাকবে না। কথোপকথনের সময় উঠে আসে চাঁদের অন্ধকার দিকের (Far Side of the Moon) অভিজ্ঞতার কথা। পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার সেই মুহূর্তগুলো কেমন ছিল, ট্রাম্পের এই কৌতূহলী প্রশ্নের জবাবে পাইলট ভিক্টর গ্লোভার জানান, সেই সময় তিনি বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ রেকর্ড করার পাশাপাশি কিছুটা সময় প্রার্থনাও করেছিলেন।
এই অভিযানে অংশীদার হওয়ার জন্য কানাডার মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন আমেরিকার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ট্রাম্প জানান, তিনি কানাডার নেতা ও হকি কিংবদন্তি ওয়েন গ্রেটজকির সঙ্গেও এই ‘প্রতিবেশী’ দেশগুলোর যৌথ সাফল্য নিয়ে আলোচনা করেছেন। শেষে আর্টেমিস টিমের বীর যোদ্ধাদের পৃথিবীতে ফেরার পর হোয়াইট হাউসে রাজকীয় আমন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “সবার সঙ্গে ওভাল অফিসে দেখা হবে।”





