মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধের কালো মেঘ। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এবার কি তবে মহাযুদ্ধের রূপ নিতে চলেছে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক অভাবনীয় পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে এই আশঙ্কাই উসকে দিয়েছে। সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকা থেকে গোলাবারুদ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র বোঝাই ১৫০টি কার্গো বিমান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটিতে পৌঁছেছে।
ট্রাম্পের ‘মাস্টারপ্ল্যান’ ও খামেনিকে হুঁশিয়ারি: প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এবার ইরানকে সরাসরি কোণঠাসা করার পথে হাঁটছে। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে—যদি ইরান নতুন করে পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে আমেরিকা একটি ‘বড়সড় সামরিক অভিযান’ শুরু করতে দ্বিধা করবে না। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্পের আসল লক্ষ্য ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ক্ষমতা খর্ব করা এবং ইরানের সামরিক পরিকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া।
সামরিক শক্তি ও পারমাণবিক অনিশ্চয়তা: এত বিশাল পরিমাণ সমরাস্ত্র মোতায়েন এর আগে কখনও দেখা যায়নি। বিমানবাহী রণতরী থেকে শুরু করে দূরপাল্লার মিসাইল—সবই এখন ইরানের দোরগোড়ায়। তেহরান অবশ্য পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, যে কোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। তবে ট্রাম্পের এই ‘২৪ ঘণ্টার অপারেশন’ প্রমাণ করছে যে আমেরিকা এবার আর কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চাইছে না। বিশ্ব এখন রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে—এই গোলাবারুদের পাহাড় কি শান্তি ফেরাবে, না কি ডেকে আনবে বিনাশী যুদ্ধ?