২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে দানা বাঁধছে এক নতুন সমীকরণ। এবার খোদ দক্ষিণ ভারতের মাটিতে পা রাখল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। তবে লড়াই করতে নয়, বরং তামিল সুপারস্টার থলপতি বিজয়ের নতুন রাজনৈতিক দল ‘তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম’ (TVK)-এর প্রতি সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দিল ঘাসফুল শিবির।
কী এই নতুন সমীকরণ? তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে ডিএমকে (DMK) এবং এআইএডিএমকে (AIADMK)-এর দাপট থাকলেও, বিজয়ের আগমনে সেখানে এক তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটেছে। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি:
পরিবর্তনের ডাক: তৃণমূল কংগ্রেস মনে করছে, তামিলনাড়ুর মানুষ এখন এক নতুন এবং স্বচ্ছ বিকল্প খুঁজছেন। বিজয়ের নেতৃত্বে সেই পরিবর্তন সম্ভব।
বিজেপি বিরোধী ঐক্য: বিজেপিকে রুখতে আঞ্চলিক দলগুলোর সংহতি প্রয়োজন। বিজয় এবং তৃণমূলের এই অলিখিত জোট ২০২৬-এর নির্বাচনী লড়াইয়ে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে।
স্ট্যালিনের অস্বস্তি কি বাড়ছে? বর্তমানে তামিলনাড়ুর ক্ষমতায় রয়েছে এম.কে. স্ট্যালিনের ডিএমকে, যারা ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের অন্যতম শরিক। সেই জোটের আরেক প্রধান শরিক তৃণমূল কেন স্ট্যালিনের রাজ্যে বিজয়ের পাশে দাঁড়াচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে:
“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসলে ডিএমকে-র ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এবং দক্ষিণে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে বিজয়ের জনপ্রিয়তাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন।”
বিজয়ের প্রতিক্রিয়া অভিনেতা বিজয় এখনও তৃণমূলের এই সমর্থন নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও, তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর, জাতীয় স্তরের একটি শক্তিশালী দলের সমর্থন পাওয়া ২০২৬-এর মহারণে তাঁর মনোবল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
বিশেষ হাইলাইটস:
দক্ষিণে তৃণমূল: ২০২৬-এর লক্ষ্য এবার বাংলা ছাড়িয়ে তামিলনাড়ু।
বিজয়ের দাপট: তামিল রাজনীতির ময়দানে স্ট্যালিন বনাম বিজয় লড়াইয়ে নয়া টুইস্ট।
দিল্লির নজর: ২০২৬-এর এই পরিবর্তন কি ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনের আগাম সংকেত?





