ড্রাগন-পাক এবার সাবধান! ভারতের ‘প্রজেক্ট কুশা’র সামনে খেলনা হয়ে যাবে শত্রুপক্ষের মিসাইল?

ভারত এখন কেবল প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হওয়ার স্বপ্ন দেখছে না, বরং তা বাস্তবে রূপান্তর করছে। প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (DRDO) বর্তমানে কাজ করছে ‘প্রজেক্ট কুশা’ (Project Kusha) নিয়ে। এটি এমন এক উচ্চাভিলাষী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Air Defence System), যা ভারতের আকাশসীমাকে কার্যত দুর্ভেদ্য করে তুলবে। একে ভারতের নিজস্ব ‘S-400’ বলা হচ্ছে।

কী এই প্রজেক্ট কুশা? প্রজেক্ট কুশা হলো একটি দূরপাল্লার ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (Long-Range Surface-to-Air Missile বা LRSAM)। এটি মূলত শত্রুদেশের যুদ্ধবিমান, ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন এবং বড় আকারের নির্ভুল অস্ত্রকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে এই ব্যবস্থাকে মোতায়েন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজেক্ট কুশার প্রধান বৈশিষ্ট্য ও কার্যকারিতা: ১. ৩০০ কিলোমিটার রেঞ্জ: এই ব্যবস্থাটি প্রায় ১৫০ থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যেই শত্রু লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে ধ্বংস করতে পারবে। ২. মাল্টি-লেয়ার সুরক্ষা: এটি আকাশসীমার বিভিন্ন উচ্চতায় সুরক্ষা প্রদান করবে, যা আয়রন ডোমের চেয়েও বেশি এলাকা কভার করতে সক্ষম। ৩. উন্নত রাডার প্রযুক্তি: এতে ব্যবহার করা হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী রাডার, যা স্টেলথ বা অদৃশ্য যুদ্ধবিমানকেও খুঁজে বের করতে পারবে।

ভারতের জন্য এটি কেন জরুরি? ভারত বর্তমানে রাশিয়ার তৈরি S-400 এবং দেশীয় আকাশ (Akash) মিসাইল সিস্টেম ব্যবহার করে। কিন্তু রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে এবং ইজরায়েলি প্রযুক্তির সমন্বয়ে নিজস্ব এক শক্তিশালি কাঠামো গড়তেই প্রজেক্ট কুশার জন্ম। এটি সক্রিয় হলে চিন ও পাকিস্তানের যেকোনো আকাশপথের আগ্রাসন ভারত অনায়াসেই রুখে দিতে পারবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy