বর্তমানে ভারতে হৃদরোগ বা হার্টের সমস্যা কেবল বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, অল্পবয়সীদের মধ্যেও এটি মহামারীর আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য—ডিজিটাল ক্লান্তি (Digital Fatigue) এবং লাগামহীন মানসিক চাপই এখন ভারতীয়দের হৃদযন্ত্রের প্রধান শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারাদিন স্মার্টফোন, ল্যাপটপের স্ক্রিনে চোখ রাখা এবং কাজের চাপে বিশ্রামের অভাব সরাসরি প্রভাব ফেলছে আমাদের রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের ওপর।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা বা ‘সিডেন্টারি লাইফস্টাইল’ শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে অনিদ্রা এবং কাজের তীব্র প্রতিযোগিতা থেকে আসা মানসিক উদ্বেগ। যখন শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না এবং মস্তিষ্ক সারাক্ষণ ডিজিটাল স্টিমুলেশনের মধ্যে থাকে, তখন হার্টের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। এছাড়া প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং শরীরচর্চার অভাব এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াতে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট কায়িক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মাঝে মাঝে ‘ডিজিটাল ডিটক্স’ বা ফোন থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। আপনার জীবনযাত্রার ছোট ছোট পরিবর্তনই পারে আপনাকে এই মরণফাঁদ থেকে বাঁচাতে।