হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই নিজের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিতে অনড় ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মাঝেই এবার ট্রাম্পের কড়া নজর পড়েছে প্রতিবেশী দেশ কিউবার ওপর। আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, ফিদেল কাস্ত্রোর স্মৃতিবিজড়িত এই কমিউনিস্ট দেশটিতে ক্ষমতার পটপরিবর্তন এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপ এবং কড়া হুঁশিয়ারি সেই জল্পনাকেই উসকে দিচ্ছে।
কিউবার সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক কয়েক দশক ধরেই অম্লমধুর। ওবামা জমানায় সম্পর্কের বরফ কিছুটা গললেও ট্রাম্পের শাসনামলে তা ফের তলানিতে ঠেকেছে। ট্রাম্প মনে করেন, কিউবার বর্তমান প্রশাসন আমেরিকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কিউবার ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরও কঠোর করে দেশটিকে ভেতর থেকে দুর্বল করার ছক কষছে ট্রাম্প প্রশাসন। লক্ষ্য একটাই—সেখানে মার্কিনপন্থী শাসন কায়েম করা।
ইতিমধ্যেই ফ্লোরিডার কিউবান বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মধ্যে ট্রাম্পের এই কড়া অবস্থান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অন্যদিকে, হাভানা এই বিষয়টিকে দেখছে সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে। ট্রাম্পের এই ‘টার্গেট কিউবা’ মিশন যদি সফল হয়, তবে লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে এক বিশাল পরিবর্তন আসবে। প্রশ্ন উঠছে, ইরানকে চাপে রাখার পর এবার কি তবে কিউবাতেই বড় কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে চলেছে আমেরিকা? উত্তর লুকিয়ে আছে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপে।