“টার্গেট ইরান!”— ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারির মাঝেই ইজরায়েলের বড় ঘোষণা! ট্রেন চলাচল বন্ধ, তবে কি শুরু হয়ে গেল মহাযুদ্ধ?

ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ততই রক্তবর্ণ ধারণ করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ‘ডেডলাইন’ শেষ হওয়ার আগেই রণং দেহি মেজাজে ধরা দিল ইজরায়েল। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, ইরানে সাধারণ মানুষের ট্রেন চলাচলের ওপর জারি করা হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা। যুদ্ধের এই দামামা কি তবে আজ রাতেই বাজতে চলেছে?

ইজরায়েলের কড়া বার্তা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার সরাসরি ময়দানে নেমেছে ইজরায়েল। তেল আবিব থেকে আসা বার্তায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইরান যদি তাদের গতিবিধি না বদলায়, তবে ফল হবে ভয়াবহ। ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর শীর্ষ কর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, তাঁদের যুদ্ধবিমান এবং মিসাইল সিস্টেম যে কোনো মুহূর্তে ‘লকড অ্যান্ড লোড’ মোডে চলে যেতে পারে।

ইরানে ট্রেন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কেন? সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো ইরানে ট্রেন চলাচলের ওপর আচমকা নিষেধাজ্ঞা। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, সামরিক সরঞ্জাম এবং মিসাইল গোপনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরিয়ে নিতেই রেল পথকে ব্যবহার করতে চাইছে ইরান। আবার অন্য একটি মহলের দাবি, সম্ভাব্য ইজরায়েলি হামলা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে এবং পরিবহন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি সামরিক নিয়ন্ত্রণে নিতেই এই কড়া পদক্ষেপ।

বিশ্বের নজর আজ রাতের দিকে: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবং ইজরায়েলের এই চূড়ান্ত প্রস্তুতির মাঝে দাঁড়িয়ে থমকে আছে গোটা বিশ্ব। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলের মতে, আজ রাতের মধ্যেই কোনো বড়সড় সামরিক অভিযান বা ‘সারপ্রাইজ অ্যাটাক’ হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, তাদের মাটিকে স্পর্শ করলে ইজরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy