সংসদের অধিবেশনে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানের কথা জানিয়ে বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বের অন্তত ১০টি দেশ থেকে অবৈধভাবে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফেরত আনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কূটনৈতিক ও আইনি তৎপরতা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যে দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে জানান যে, তদন্তকারী সংস্থাগুলো ইতিমধ্য়েই পাচার হওয়া অর্থের উৎস এবং গন্তব্য শনাক্ত করতে পেরেছে। সুইজারল্যান্ডসহ ইউরোপ ও এশিয়ার মোট ১০টি দেশের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান এবং আইনি সহায়তার বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “জনগণের ঘাম ঝরানো টাকা যারা বিদেশে লুকিয়ে রেখেছে, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। আইনি জটিলতা কাটিয়ে সেই সম্পদ দেশের কোষাগারে ফিরিয়ে আনা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সরকারের একটি বড় মাপের ‘মানি লন্ডারিং’ বিরোধী পদক্ষেপ। বিভিন্ন দেশের সাথে ‘মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি’ (MLAT) ব্যবহার করে এই অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছে। এই ১০টি দেশের তালিকায় কোন কোন দেশ রয়েছে, তা কৌশলগত কারণে সম্পূর্ণ প্রকাশ না করা হলেও, এই পদক্ষেপ দুর্নীতিবাজদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রীর এই তৎপরতায় কত দ্রুত পাচার হওয়া সম্পদ দেশে ফেরে।





