উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম অংশকে কৃষি রফতানির একটি ‘মেজর হাব’ বানাতে এবার কোমর বেঁধে নেমেছে যোগী সরকার। জেওয়র আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্পটি বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখছে রাজ্য সরকার। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য— পণ্যের ডেলিভারির সময় ও লজিস্টিক খরচ কমানো।
পতঞ্জলির জমিতে ফুড পার্ক
বিরাট এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (YEIDA) একটি বিরাট উদ্যোগ নিয়েছে। পতঞ্জলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা জেওয়র বিমানবন্দরের কাছে তৈরি করতে চলেছে একটি অত্যাধুনিক ফুড পার্ক।
রিপোর্ট অনুযায়ী, YEIDA কর্তৃপক্ষ কর্ণাটকের ইনোভা ফুড পার্কের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে চাইছে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, সেক্টর ২৪এ-তে পতঞ্জলির জন্য বরাদ্দ জমি থেকে ৫০ একর জমি ইনোভাকে সাব-লিজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই ফুড পার্ক তৈরি হবে বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনাল থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে, ফলে এক ধাক্কায় অনেকটা কমে যাবে লজিস্টিক বাবদ খরচ।
কৃষকদের জন্য আধুনিক পরিকাঠামো
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য খুবই পরিষ্কার: কৃষি ও উদ্যানজাত পণ্য পরীক্ষা, গ্রেডিং ও প্যাকেজিংয়ের জন্য আধুনিক পরিকাঠামো তৈরি করা। এর ফলে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা তাঁদের পণ্য সরাসরি রাশিয়া, ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্যের কোনও দেশে রফতানি করতে পারবেন।
YEIDA-এর স্পেশাল এক্সিকিউটিভ অফিসার শৈলেন্দ্র ভাটিয়া জানিয়েছেন, তাঁরা পতঞ্জলির সঙ্গে এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। ২০১৭ সালে পতঞ্জলি এই এলাকায় ৪৩০০ একর জমি পেয়েছিল এবং চুক্তি অনুযায়ী সাব-লিজ দেওয়ার ক্ষমতাও তাদের রয়েছে।
এই চুক্তি যদি সফল হয়, তাহলে সে রাজ্যে ‘ফার্ম-টু-মার্কেট কানেক্টিভিটি’ বাড়বে এবং জেওয়র বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে এক নতুন কৃষি-অর্থনীতির জন্ম হবে।