২৯ এপ্রিল, রাজ্যে দ্বিতীয় দফার হাইভোল্টেজ নির্বাচন। আর এই দিনেই গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে সপরিবারে বুথে হাজির হলেন টলিউডের মেগাস্টার তথা তৃণমূল সাংসদ দেব। তবে শুধু ভোট দিয়েই দায়িত্ব শেষ করলেন না, বুথ থেকে বেরিয়েই দেশের জ্বলন্ত সমস্যা নিয়ে এক বিস্ফোরক ও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন অভিনেতা। যা এই মুহূর্তে নেটপাড়ায় রীতিমতো ভাইরাল।
“পপুলেশন কন্ট্রোলই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য” ভোট দিয়ে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, “দেশ ও রাজ্যের যে পরিস্থিতি, তাতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা জনসংখ্যায় চিনকেও ছাপিয়ে গিয়েছি, কিন্তু আমাদের জায়গা অনেক কম। কর্মসংস্থান থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়ন— সবকিছুর অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে এই লাগামহীন জনসংখ্যা।”
মমতা ও মোদী সরকারকে বড় প্রস্তাব: দেব স্পষ্ট জানান, এটি কোনো রাজনৈতিক দল বা একা কোনো সরকারের কাজ নয়। তিনি বলেন, “আমি দিদিকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) অনুরোধ করব যেন সবাই মিলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য একটা মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়। এটি কোনো ৫ বছরের প্রকল্প নয়, এর ফল পেতে অন্তত ২০-২৫ বছর সময় লাগবে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে যৌথভাবে এই বিষয়ে কাজ করার আবেদন জানাই।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য চতুর্থবার শপথের প্রার্থনা: প্রচার চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়লেও দমে যাননি অভিনেতা। একমাস ধরে দলের হয়ে অক্লান্ত প্রচার শেষে এদিন দেব বলেন, “আমি নিজের দলের হয়ে লড়াই করেছি, তাই চাইব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিন। সাধারণ মানুষ যেন তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন, সেটাই বড় কথা।”
ভোট মিটলেই রূপোলি পর্দায় প্রত্যাবর্তন: ভোটের ব্যস্ততা কাটিয়েই ফের লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের দুনিয়ায় ফিরছেন দেব। পুজোয় আসছে তাঁর বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘খাদান’ (বর্তমানে নাম পরিবর্তিত হয়ে ‘দেশু ৭’ চর্চায়)। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবসে মুক্তি পেতে পারে ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’ এবং শীতের ছুটিতে দর্শকদের উপহার দিতে পারেন ‘টনিক ২’।
নির্বাচনী উত্তাপের মাঝে দেবের এই ‘জনসংখ্যা তত্ত্ব’ এখন রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।





