দেশজুড়ে ১৬তম জনগণনার প্রস্তুতি তুঙ্গে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (RGI) জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের জনগণনা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিনির্ভর। কাগজ ও কলমের পরিবর্তে এবার ৩২ লক্ষেরও বেশি গণনাকারী আধিকারিক এবং সুপারভাইজার হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ‘রিয়েল টাইম’ বা সরাসরি ট্র্যাক করার জন্য তৈরি হয়েছে ‘সেনসাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম’ (CMMS) নামক একটি বিশেষ পোর্টাল।
কবে কী হবে? জনগণনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞ মূলত দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে:
-
প্রথম ধাপ (বাড়িগণনা): ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে দেশের প্রতিটি বাড়ি এবং বাসস্থানের তালিকা তৈরি করা হবে। এই পর্যায়ে আবাসন ব্যবস্থা ও মৌলিক পরিষেবা সংক্রান্ত ৩৩টি প্রশ্ন করা হবে।
-
দ্বিতীয় ধাপ (জনগণনা বা PE): ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হবে মূল জনগণনা। ১ মার্চ, ২০২৭-কে ‘রেফারেন্স ডেট’ হিসেবে ধরা হয়েছে (তুষারাবৃত এলাকা বাদে)। এই পর্যায়ে দেশের প্রতিটি মানুষের জনতাত্ত্বিক ও সামাজিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
বিশেষত্ব কী? এবারের জনগণনার সবথেকে বড় চমক হলো ‘সেলফ এনিউমারেশন’ বা স্ব-গণনা পদ্ধতি। অর্থাৎ নাগরিকরা নিজেরাই সরকারি পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের তথ্য দিতে পারবেন। এছাড়া প্রথমবার এই জনগণনায় জাতিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের (Caste Census) সংস্থানও রাখা হয়েছে। ১১,৭১৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পে উপগ্রহ চিত্রের (Satellite Imagery) মাধ্যমে বসতি চিহ্নিত করার কাজও হবে। এই ডিজিটাল ডেটাবেস আগামী দিনে সরকারি প্রকল্প ও উন্নয়নের সঠিক রূপরেখা তৈরি করতে সাহায্য করবে।