ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের নেশা এবার বিশ্বশান্তিকে খাদের কিনারায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। নিউজ নেশনের এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করা এখন ‘অত্যন্ত জরুরি’। এমনকি রাশিয়া ও চিনের ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে সেখানে ‘গোল্ডেন ডোম’ তৈরির পরিকল্পনাও সেরে ফেলেছেন তিনি। ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাবের পাল্টায় গ্রিনল্যান্ডও এবার যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ও টাস্ক ফোর্স গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন দেশবাসীকে সম্ভাব্য সামরিক আক্রমণের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।” পরিস্থিতির মোকাবিলায় রাজধানী নুউকে একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। গ্রিনল্যান্ডের অর্থমন্ত্রী মুট বি. এগেডের মতে, অঞ্চলটি যে ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে, তার পরিণতির জন্য তৈরি থাকতে হবে সবাইকে।
ইউরোপ বনাম ট্রাম্প: দাভোসে ফাটল সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মঞ্চে ট্রাম্পের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সরাসরি তোপ দেগে বলেছেন, “আমরা বর্বরতার চেয়ে আইনের শাসন পছন্দ করি। ইউরোপ নতি স্বীকার করবে না।” অন্যদিকে, ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন একটি ‘স্বাধীন ইউরোপ’ গড়ার ডাক দিয়ে মার্কিন আধিপত্যের অবসান ঘোষণা করেছেন। ট্রাম্প যখন দাভোসে গ্রিনল্যান্ড নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তাঁর মিত্ররাই যুদ্ধের আশঙ্কায় শঙ্কিত।