দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের তীব্র সংকটের মধ্যেই উত্তরপ্রদেশের হাপুড় জেলায় ধরা পড়ল এলপিজি সিলিন্ডারের কালোবাজারি। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ সমাজবাদী পার্টির স্থানীয় নেতা আব্দুল রহমানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫৫টি ভর্তি সিলিন্ডারসহ বিপুল পরিমাণ খালি সিলিন্ডার উদ্ধার করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে অশান্তি ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় সাধারণ মানুষ যখন সিলিন্ডারের জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও তা পাচ্ছেন না, তখন এই বিপুল পরিমাণ মজুতদারি জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া সিলিন্ডারগুলো সবই ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য সাবসিডি-প্রাপ্ত। একজন সাধারণ গ্রাহকের কাছে এত বিপুল পরিমাণ সিলিন্ডার থাকা নিয়মবহির্ভূত, তাই এগুলি কালোবাজারে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
অভিযানের সময় অভিযুক্ত আব্দুল রহমান বাড়িতে ছিলেন না। তবে তাঁর পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ সিলিন্ডারগুলো বাজেয়াপ্ত করেছে এবং এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট-এর অধীনে একটি এফআইআর দায়ের করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, সংকটের সুযোগ নিয়ে বিরোধীরা ইচ্ছাকৃতভাবে মজুতদারি চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। ভোটের মুখে এই ঘটনা যোগী রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল।