গুরুপূর্ণিমায় বেলুড় মঠে বড় চমক! প্রেসিডেন্ট মহারাজকে প্রণাম সেরে গোপন কক্ষে একান্ত বৈঠক শুভেন্দুর

গুরুপূর্ণিমার পবিত্র ও বিশেষ তিথিতে বেলুড় মঠে উপস্থিত হয়ে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করলেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার গুরুপূর্ণিমার এই শুভলগ্নে বেলুড় মঠের পবিএ প্রাঙ্গণে পা রেখে তিনি একাধিক মন্দির পরিক্রমা করেন এবং মঠের শীর্ষস্থানীয় মহারাজদের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ ও প্রণাম সারেন। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে মঠ চত্বর এবং রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, গুরুপূর্ণিমার দিন বেলুড় মঠে পৌঁছেই তিনি সোজা মূল মন্দিরের দিকে এগিয়ে যান। মূল মন্দিরে পুজো ও দর্শনের পর্ব সেরে তিনি সরাসরি মঠের প্রেসিডেন্ট মহারাজের কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি মঠের প্রেসিডেন্ট মহারাজ স্বামী গৌতমানন্দজীকে সসম্মানে প্রণাম জানান এবং তাঁর আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বেলুড় মঠের অন্দরে প্রবেশ করে ডান দিকের ঐতিহ্যবাহী কার্যালয়ে যান, যেখানে সাধারণত মঠের সেক্রেটারি মহারাজ সুবিদানন্দজি বসেন।

বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুবিদানন্দজি বেশ কিছুদিন ধরে কিছুটা অসুস্থ থাকার কারণে বর্তমানে সচরাচর সকলের সঙ্গে সামনে এসে সাক্ষাৎ করেন না। তা সত্ত্বেও তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে এবং তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এই বিশেষ সাক্ষাতের পর তিনি একে একে মূল মন্দির সহ পবিত্র ব্রহ্মানন্দজীর মন্দিরে গিয়ে ভক্তিভরে প্রণাম সারেন এবং কিছুক্ষণ সেখানে সময় কাটান।

মঠের সমস্ত আধ্যাত্মিক রীতিনীতি এবং গুরুপ্রণাম পর্ব সুচারুভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি বেলুড় মঠ চত্বর থেকে প্রস্থান করেন। গুরুপূর্ণিমার মতো একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ দিনে এই ধরনের আধ্যাত্মিক সফর এবং শীর্ষ মহারাজদের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই কর্মসূচির ফলে ভক্তকূলের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।