মালদহের মোথাবাড়ির অশান্তি নিয়ে এবার সরাসরি ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব খাড়া করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের জনসভা থেকে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ করেন যে, বাংলায় পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা বাধাতে গুজরাত থেকে বাসে করে লোক আনা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফ (CRPF)-এর গাড়িতে করে টাকা ঢোকানো হচ্ছে বলেও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁর কাছে এই সংক্রান্ত কল রেকর্ডও রয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ছিল বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের ‘অশুভ আঁতাত’। তিনি বলেন, “সংখ্যালঘুদের খেপিয়ে দিয়ে বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই মিম-কে নামানো হয়েছে।” মোথাবাড়ি কাণ্ডে এনআইএ (NIA) তদন্ত শুরু করলেও মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কেন্দ্রীয় সংস্থা পৌঁছনোর আগেই রাজ্য পুলিশের সিআইডি (CID) মূল পাণ্ডা মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছে।
অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রমন জানিয়েছেন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিটিক্সের মাধ্যমে চিহ্নিত করে মোফাক্কেরুল ও তার সঙ্গী আকরামুলকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে ধরা হয়েছে। তারা বেঙ্গালুরু পালানোর ছক কষেছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা রুজু হয়েছে এবং ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোটের আগে মালদহের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য বনাম কেন্দ্র সংঘাত এখন চরমে।





