মানবিকতা ও সম্পর্কের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করল এক চরম নৃশংস ঘটনা। খেলার নাম করে চার বছরের ভাইঝিকে ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়ে পাশবিক লালসার শিকার বানাল নিজের কাকা। ধর্ষণের পর অপরাধ ঢাকতে শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ঠিক কী ঘটেছিল? পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, অভিযুক্ত কাকা শিশুটিকে “খেলব আয়” বলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। শিশুটি বাড়ির লোক হওয়ায় কোনওরকম সন্দেহ ছাড়াই তার সঙ্গে খেলতে যায়। দীর্ঘক্ষণ শিশুটির দেখা না মেলায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপর অভিযুক্তের ঘর থেকেই শিশুটির নিথর দেহ উদ্ধার হয়।
ঘটনার নৃশংসতা: প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে:
ধর্ষণ ও অত্যাচার: শিশুটির শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে, যা থেকে স্পষ্ট যে তাকে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
খুন: যৌন লালসা চরিতার্থ করার পর শিশুটি যাতে কাউকে কিছু বলতে না পারে, তাই তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করে অভিযুক্ত।
গ্রেপ্তার: ঘটনার পরেই অভিযুক্ত কাকাকে ধরে ফেলে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এলাকায় ক্ষোভের আগুন: এই পৈশাচিক ঘটনার খবর জানাজানি হতেই এলাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ শুরু হয়। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবি তুলেছে। পুলিশ দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে এবং পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।
সতর্কবার্তা: শৈশব আজ কোথায় সুরক্ষিত? এই ঘটনা ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল যে, শিশুদের সুরক্ষার প্রশ্নে ঘরের লোকের ওপরও অন্ধবিশ্বাস বিপদ ডেকে আনতে পারে। আপনার বাড়ির শিশুদের ওপর সবসময় নজর রাখুন এবং তাদের ‘গুড টাচ’ ও ‘ব্যাড টাচ’ সম্পর্কে সচেতন করুন।





