এক যুগের অবসান। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর মৃত্যুর খবরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে গেছে গোটা ইরান। খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সঞ্চালককে লাইভ সম্প্রচারের সময়ই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়, যা মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। খামেনেইর মৃত্যু কেবল একটি দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার ওপর এক বিরাট প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।
এদিকে খামেনেইর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পরেই রণহুঙ্কার ছেড়েছে ইরানের শক্তিশালী আধাসামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)। তাদের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হামলা এবার শুরু হতে চলেছে।” ইজরায়েল ও পশ্চিমী শক্তিকে লক্ষ্য করে দেওয়া এই হুঁশিয়ারিতে যুদ্ধের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়েছে। ইরানের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তারা তাদের সর্বোচ্চ নেতার ‘রক্তের বদলা’ নিতে প্রস্তুত। তেহরানের রাজপথে হাজার হাজার মানুষ শোকাতুর অবস্থায় বেরিয়ে এসেছেন, অন্যদিকে সামরিক বাহিনী সীমান্তে তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। খামেনেইর উত্তরসূরি কে হবেন, তা নিয়ে যেমন জল্পনা চলছে, ঠিক তেমনই ইরানের পরবর্তী পদক্ষেপ বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয় কি না, তা নিয়ে বাড়ছে আশঙ্কা।