খাড়গের সভা শেষের পর ‘শুদ্ধিকরণ’! প্রধানমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে মোক্ষম প্রশ্ন তুললেন রাহুল গান্ধি

উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের জনসভার স্থান ‘শুদ্ধিকরণ’ করার ঘটনা নিয়ে এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চড়াও হলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি। নয়াদিল্লির ইন্দিরা ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে রাহুল এই ঘটনাকে স্পষ্টতই অস্পৃশ্যতা এবং একটি গুরুতর অপরাধ বলে অভিহিত করেছেন। সেইসঙ্গে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নীরবতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
চলতি মাসের শুরুতে হলদওয়ানিতে খাড়গের একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। তার দুদিন পর, অর্থাৎ ১০ অগস্ট সেই স্থানটিতে শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠান করে বিজেপি ও আরএসএস কর্মীরা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে রাহুল জানান, খাড়গের মতো একজন প্রবীণ দলিত নেতার সঙ্গে যদি এমন আচরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়। তাঁর দাবি, এই মানসিকতা সরাসরি দলিতদের সমাজ গঠনে ওপরে উঠে আসার বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র।
এই পুরো ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী নিজেকে সমস্ত দেশবাসীর প্রতিনিধি বলে দাবি করলেও উত্তরাখণ্ডের বিজেপি রাজ্য প্রধান মহেন্দ্র ভাট প্রকাশ্যে এই শুদ্ধিকরণকে সমর্থন করেছেন। রাহুল সাফ জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে এসসি/এসটি আইনের আওতায় এফআইআর দায়ের করতে হবে। পাশাপাশি, ঘটনার কুড়ি দিন পেরিয়ে গেলেও কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি জানান, কংগ্রেস সভাপতি ও দলিত সমাজের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তাঁর দল শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে।